ace7-এ যত বেশি খেলবেন, তত বেশি পয়েন্ট জমবে — আর সেই পয়েন্টের হিসেবে উঠে যাবেন নতুন ভিআ ইপি স্তরে। প্রতিটি স্তরে পাবেন নতুন সুবিধা, বড় বোনাস এবং ডেডিকেটেড সাপোর্ট।
ace7 ভিআইপি ক্লাব — প্রিমিয়াম সদস্যদের জন্য এক্সক্লুসিভ সুবিধা ও পুরস্কার
পাঁচটি স্বতন্ত্র স্তরে ভাগ করা হয়েছে — প্রতিটিতে আলাদা সুবিধা ও পুরস্কার।
ace7 ভিআইপি স্তর — ব্রোঞ্জ থেকে ডায়মন্ড পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে বিশেষ পুরস্কার
সাধারণ সদস্যপদের বাইরে ভিআইপি হিসেবে পাবেন অনেক বেশি সুবিধা।
ভিআইপি স্তর যত উপরে, ক্যাশব্যাকের হারও তত বেশি। ডায়মন্ড স্তরে প্রতি সপ্তাহে হারা টাকার ২০% পর্যন্ত ফেরত পান।
সাধারণ সদস্যদের তুলনায় ভিআইপিরা অনেক দ্রুত টাকা তুলতে পারেন। ডায়মন্ড স্তরে প্রায় তাৎক্ষণিক উইথড্র সম্ভব।
গোল্ড ও তার উপরের স্তরে পাবেন নিজস্ব অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার যিনি বাংলায় সাহায্য করবেন এবং আপনার সব সমস্যায় পাশে থাকবেন।
জন্মদিনে বোনাস, বিশেষ উৎসবে গিফট এবং ভিআইপি-এক্সক্লুসিভ ইভেন্টে আমন্ত্রণ — এসব সুবিধা শুধু ace7 ভিআইপি সদস্যরাই পান।
ভিআইপি সদস্যদের জন্য আলাদা টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয় যেখানে পুরস্কারের পরিমাণ অনেক বেশি এবং প্রতিযোগিতা কম।
সাধারণ টেবিলে যে সর্বোচ্চ বাজি রাখা যায়, ভিআইপিরা তার চেয়ে অনেক বেশি বাজি রাখতে পারেন। বড় খেলোয়াড়দের জন্য পারফেক্ট।
ace7-এ খেললেই পয়েন্ট জমে — আলাদা কোনো চেষ্টা করতে হয় না।
ace7-এ নিবন্ধন করার সাথে সাথে ভিআইপি প্রোগ্রামে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে যাবেন। আলাদাভাবে আবেদন করতে হয় না।
স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, ফিশ গেম — যেটাই খেলুন, প্রতিটি বাজি থেকে পয়েন্ট জমা হবে। প্রতি ১০০ টাকা বাজিতে ১ পয়েন্ট।
নির্ধারিত পয়েন্ট জমা হলে ace7 সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনাকে পরবর্তী ভিআইপি স্তরে নিয়ে যাবে।
স্তর আপগ্রেড হওয়ার সাথে সাথে নতুন বোনাস, বেশি ক্যাশব্যাক এবং অন্যান্য সুবিধা সক্রিয় হয়ে যায়।
প্রতি মাসে নির্ধারিত পয়েন্ট অর্জন করলে আপনার বর্তমান ভিআইপি স্তর বজায় থাকবে। নিয়মিত খেললে ডিমোশনের চিন্তা নেই।
ace7 ভিআইপি পয়েন্ট সিস্টেম — যত খেলবেন, তত এগিয়ে যাবেন
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে লয়্যালটি প্রোগ্রামের কথা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু বেশিরভাগ সময় দেখা যায় এসব প্রোগ্রামের সুবিধাগুলো কাগজে-কলমে ভালো দেখালেও বাস্তবে পাওয়া কঠিন। ace7 সেই চর্চা থেকে সরে এসেছে। এখানে ভিআইপি প্রোগ্রামের প্রতিটি সুবিধা স্বচ্ছভাবে উল্লেখ করা আছে এবং সদস্যরা সত্যিকার অর্থেই সেগুলো উপভোগ করেন।
ace7 ভিআইপি প্রোগ্রামের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়। আলাদাভাবে আবেদন করতে হয় না, কোনো গোপন শর্ত নেই। শুধু খেলুন — পয়েন্ট জমুক — স্তর বাড়ুক। সিস্টেম নিজেই আপনার অগ্রগতি ট্র্যাক করে এবং সময়মতো নতুন সুবিধা সক্রিয় করে দেয়।
বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং বাজারে ace7 একটু ভিন্নভাবে কাজ করে। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম যেখানে ইংরেজিতে সাপোর্ট দেয়, ace7 ভিআইপি সদস্যদের জন্য বাংলায় কথা বলতে পারেন এমন ডেডিকেটেড ম্যানেজার রাখা হয়। এর ফলে কোনো সমস্যা হলে ভাষার কারণে অসুবিধায় পড়তে হয় না।
পেমেন্টের ক্ষেত্রেও ace7 বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখেছে। বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে ডিপোজিট ও উইথড্র করা যায়। ভিআইপি সদস্যদের জন্য এই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত — বিশেষত প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড স্তরে উইথড্র রিকোয়েস্ট প্রায় সঙ্গে সঙ্গে প্রসেস হয়।
ace7 ভিআইপি ক্যাশব্যাক প্রতি সোমবার হিসাব করা হয় এবং সেই সপ্তাহে হারানো মোট টাকার একটি নির্দিষ্ট শতাংশ ফেরত দেওয়া হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কোনো গোল্ড সদস্য এক সপ্তাহে ১০,০০০ টাকা হারান, তাহলে ৮% হিসেবে ৮০০ টাকা সরাসরি তার অ্যাকাউন্টে ফিরে আসবে।
ক্যাশব্যাকের টাকায় কোনো ওয়েজারিং শর্ত নেই — অর্থাৎ যত টাকা ক্যাশব্যাক পাবেন, সরাসরি উইথড্র করতে পারবেন বা আবার খেলতে পারবেন। এই সরলতাই ace7 ভিআইপি প্রোগ্রামকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে।
গোল্ড ও তার উপরের ভিআইপি সদস্যদের জন্য ace7 নিয়মিত এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট আয়োজন করে। এই টুর্নামেন্টগুলোতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সীমিত, তাই পুরস্কার জেতার সম্ভাবনাও বেশি। ঈদ, পূজা ও অন্যান্য বাংলাদেশি উৎসবের সময় বিশেষ ইভেন্ট আয়োজন করা হয় যেখানে ডবল পয়েন্ট বা বিশেষ পুরস্কারের সুযোগ থাকে।
ডায়মন্ড স্তরের সদস্যদের জন্য ace7 বছরে কয়েকটি লাক্সারি ইভেন্টে আমন্ত্রণ পাঠায়। এগুলো শুধু অনলাইনেই নয়, মাঝে মাঝে অফলাইনেও আয়োজন করা হয় — যেখানে সেরা খেলোয়াড়রা একে অপরের সাথে মিলিত হওয়ার সুযোগ পান।
অনেকেই ভয় পান যে একবার ভিআইপি স্তরে উঠলে যদি সেটা হারিয়ে যায়। ace7-এ এই বিষয়টা বেশ সহজ করে রাখা হয়েছে। প্রতি ক্যালেন্ডার মাসে নির্ধারিত পয়েন্ট অর্জন করলেই আপনার স্তর বজায় থাকবে। মাসের শেষে যদি পয়েন্ট কম থাকে, তাহলে পরের মাসের শুরুতে এক স্তর নামা সম্ভব — কিন্তু একেবারে ব্রোঞ্জে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
ace7 চায় তার দীর্ঘদিনের সদস্যরা ভালো অভিজ্ঞতা পান। তাই ডিমোশনের নিয়মগুলো কঠিন না করে একটু নমনীয় রাখা হয়েছে। নিয়মিত খেললে এই সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনাই নেই।
সাধারণ সদস্যরা লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে সাপোর্ট পান, কিন্তু ভিআইপি সদস্যদের সুবিধা আরও বেশি। গোল্ড ও তার উপরের স্তরে আলাদা সাপোর্ট চ্যানেল থাকে — সেখানে অপেক্ষার সময় প্রায় শূন্য। প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যরা সরাসরি তাদের ব্যক্তিগত ম্যানেজারকে মেসেজ করতে পারেন যেকোনো সময়।
পেমেন্ট সংক্রান্ত সমস্যা, বোনাস দাবি, টেকনিক্যাল সমস্যা — যেকোনো বিষয়ে ভিআইপি সদস্যদের সমস্যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করা হয়। এটা ace7-এর একটি প্রতিশ্রুতি যা সদস্যরা বাস্তবেও অনুভব করেন।
কোন স্তরে কী সুবিধা — এক নজরে দেখে নিন।
আমাদের ভিআইপি সদস্যরা কী বলছেন।
"গোল্ড স্তরে আসার পর থেকে অভিজ্ঞতাটা একদম বদলে গেছে। আমার ম্যানেজার বাংলায় কথা বলেন, যেকোনো সমস্যায় সঙ্গে সঙ্গে সমাধান দেন। ক্যাশব্যাকটাও প্রতি সোমবার ঠিকঠাক আসে।"
"প্লাটিনামে উঠার পর উইথড্র নিয়ে আর চিন্তা করতে হয় না। ৩০ মিনিটের মধ্যে বিকাশে টাকা চলে আসে। এত দ্রুত পেমেন্ট আগে কোথাও পাইনি।"
"ace7 ডায়মন্ড ক্লাব সত্যিই অন্যরকম। ঈদে বিশেষ গিফট পেয়েছিলাম, এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছি — এই অভিজ্ঞতা অন্য কোথাও পাবেন না।"
ace7 ডায়মন্ড ভিআইপি — সর্বোচ্চ স্তরের প্রিমিয়াম গেমিং অ ভিজ্ঞতা
নিবন্ধন করুন, খেলুন এবং পয়েন্ট জমান — ace7 ভিআইপি প্রোগ্রামে উপরে ওঠার পথ সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়। আজই শুরু করলে আগামীকাল থেকেই সুবিধা পেতে শুরু করবেন।
ace7 ভিআইপি প্রোগ্রাম সম্পর্কে প্রায়ই জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলো।